অবিলম্বে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ আরোপ করতে হবে জাতিসংঘকে

খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, গাজায় সন্ত্রাসী ইসরাইলের মানবতাবিরোধী ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে জাতিসংঙ্ঘের ভূমিকা প্রশ্নবোধক। ইসরাইল যেখানে নারী, পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে শতশত ফিলিস্তিনী নাগরিককে নৃশংসভাবে হত্যা করছে, হাসপাতালগুলো গুড়িয়ে দিচ্ছে সেখানে শুধু নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঙ্ঘ দায়...

খেলাফত মজলিসের ইসরাইলী আগ্রাসন বিরোধী মিছিলে পুলিশের বাঁধা, আটক ২

ঢাকা, ১৮ জুলাইঃ ইসরাইলের গাজা আগ্রাসন বিরোধী খেলাফত মজলিসের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিলে বাঁধা দিয়েছে পুলিশ। আজ জুম্মার নামাজের পর ঢাকার সেগুন বাগিচা মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাঁধা দেয়, ইসরাইল বিরোধী ব্যানার ছিনিয়ে নেয়া এবং আফসার উদ্দিন হাওলার, মো: মোস্তাইন বিল্লাহ নামের...

আন্দোলনের বিকল্প নেই

ঢাকা, ৫ জুলাইঃ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, দেশ ও জাতি আজ এক গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। সংকটের অন্যতম কারণ হচ্ছে বর্তমান সরকার দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। কিন্তু দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার জন্যে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায়...

চীনের শিনজিয়াংয়ে রোজা পালনে নিষেধাজ্ঞায় খেলাফত মজলিসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

ঢাকা, ৪ জুলাইঃ চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিম ছাত্র, শিক্ষক ও সরকারী অফিসের কর্মচারীদের রোজা পালনের উপর নিষেধাজ্ঞার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, মুসলমানদের অন্যতম অবশ্যকীয় ধর্মীয় হুকুম রোজা পালনের...

শীঘ্রই এ সরকারকে করুন পরিনতি বরণ করতে হবেঃ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক

ঢাকা, ১৩ মেঃ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, আসমানের ফয়সালা চলছে। সে ফয়সালা জমিনে আসতে বাকী। আন্দোরন হোক বা না হোক শীঘ্রই এ সরকারকে করুন পরিনতি বরণ করতে হবে। খেলাফত মজলিসের তৃণমূল দায়িত্বশীলদের বর্ধিত সভার সমাপনী অধিবেশনে সভাপতির সভাপতি বক্তব্যে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে তিনি এ...

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


মানুষ আল্লাহর খলিফা ও বান্দা । খেলাফত ও উবুদিয়্যাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে আঞ্জাম দেয়ার উপরই মানুষের দুনিয়ার সামগ্রিক কল্যাণ এবং আখেরাতের মুক্তি ও শান্তি নির্ভরশীল।

ইসলাম মানুষের জন্য মনোনীত দ্বীন ও সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা। ইবলিসী চক্রান্তে সৃষ্ট শোষণ-নির্যাতন, নৈরাজ্য, অনৈক্য-বিভেদ, অন্যায়-অবিচার-অনাচার, যুদ্ধ-সংঘাতে পরিপূর্ণ বিপর্যস্ত পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত মানুষের একমাত্র মুক্তির পথ ইসলাম। সমাজের সর্বস্তরে ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠাই শান্তি ও অগ্রগতি, সুবিচার ও সাম্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে।

বর্তমানে উলামা মাশায়েখ ও দ্বীনদার শ্রেণীর মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন পরিমন্ডলে ইসলামের বাস্তবরূপ তথা খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম নেই দীর্ঘদিন ধরে। অথচ মানবতার বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের মুক্তি, সমৃদ্ধি, সম্মান ও দায়িত্ব গোটা মুসলিম জাতির, বিশেষভাবে উলামা-মাশায়েখ, দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকদের।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সত্য সমভাবে প্রযোজ্য। এখানকার সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন, হানাহানি, সাংস্কৃতিক নৈরাজ্য ও দেউলিয়াপনা এবং বৈদেশিক আধিপত্যের অবসানে গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ইসলামের আলোকে পুনর্গঠিত করতে হবে। দেশের পনের কোটি মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমাজের বিপ্লবাত্মক পরিবর্তন তথা একটি ইসলামী বিপ্লব প্রয়োজন। প্রয়োন খেলাফত ব্যবস্থাকে এখানে পুনরুজ্জীবিত করে দেশকে সত্যিকার অর্থে একটি সার্বজনীন কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এ শুধু পার্থিব প্রয়োজনেই নয় বরং আখেরাতের মুক্তির জন্যো অপরিহার্য।

বাংলার জমীনে আল্লাহ্র খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ দেশের ইসলামী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক নবতর সমন্বয়ধর্মী ও গণভিত্তিক ঐতিহ্য-চেতনা সমৃদ্ধ আপোষহীন নির্ভেজাল ইসলামী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনে ১৯৮৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করেছে।