খেলাফত মজলিসের ষান্মাসিক শূরা অধিবেশন সমাপ্ত

ইসলামী শিক্ষা সংকোচনের মাধ্যমে সন্ত্রাস-উগ্রবাদকে উস্কে দেয়া হয়েছে। জুম্মার খুৎবার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ বন্ধ করতে হবে। ঢাকা, ২৯ জুলাই ২০১৬ঃ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা যোবায়েল আহমদ চৌধুরী বলেছেন, দেশে ইসলামী শিক্ষা সংকোচনের মাধ্যমে প্রকারন্তরে হত্যা সন্ত্রাস-উগ্রবাদকে... বিস্তারিত পড়ুন

সারা দেশে খেলাফত মজলিস আহুত সন্ত্রাস বিরোধী দিবস পালিত

ইসলামের উত্থানকে ঠেকাতে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো হচ্ছে: ড. আহমদ আবদুল কাদের ঢাকা, ২৩ জুলাই ২০১৬ঃ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, বিশ্বব্যাপী ইসলামের উত্থানকে ঠেকাতে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো হচ্ছে। ইসলাম হচ্ছে বর্তমান দুনিয়ার... বিস্তারিত পড়ুন

খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন

ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি করার জন্যই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটানো হচ্ছে: ড. আহমদ আবদুল কাদের ঢাকা, ১৬ জুলাই ২০১৬ঃ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, সন্ত্রাসের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। বরং ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধন করার জন্যই... বিস্তারিত পড়ুন

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও উগ্রবাদ দমনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবেঃ মহাসচিব

হত্যা, সন্ত্রাস, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে রাজধানীতে খেলাফত মজলিসের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা, ১৫ জুলাই ২০১৬ঃ খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ইসলামে হত্যা, সন্ত্রাস, উগ্রবাদের কোন স্থান নেই। যারা মানুষ হত্যা করে তারা ইসলামের ক্ষতি করার হীন উদ্দ্যেশ্য নিয়ে এ অপকর্ম... বিস্তারিত পড়ুন

বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

দেশ একটা আবদ্ধ জনপদে পরিনত হয়েছে: খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিলে মির্জা ফখরুল নির্যাতনের কারণে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা এই রমযান মাসেও ঘরে থাকতে পারছে নাঃ ড. আহমদ আবদুল কাদের ঢাকা, ১০ জুন ২০১৬ঃ বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ আজ একটা আবদ্ধ... বিস্তারিত পড়ুন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


মানুষ আল্লাহর খলিফা ও বান্দা । খেলাফত ও উবুদিয়্যাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে আঞ্জাম দেয়ার উপরই মানুষের দুনিয়ার সামগ্রিক কল্যাণ এবং আখেরাতের মুক্তি ও শান্তি নির্ভরশীল।

ইসলাম মানুষের জন্য মনোনীত দ্বীন ও সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা। ইবলিসী চক্রান্তে সৃষ্ট শোষণ-নির্যাতন, নৈরাজ্য, অনৈক্য-বিভেদ, অন্যায়-অবিচার-অনাচার, যুদ্ধ-সংঘাতে পরিপূর্ণ বিপর্যস্ত পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত মানুষের একমাত্র মুক্তির পথ ইসলাম। সমাজের সর্বস্তরে ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠাই শান্তি ও অগ্রগতি, সুবিচার ও সাম্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে।

বর্তমানে উলামা মাশায়েখ ও দ্বীনদার শ্রেণীর মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন পরিমন্ডলে ইসলামের বাস্তবরূপ তথা খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম নেই দীর্ঘদিন ধরে। অথচ মানবতার বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের মুক্তি, সমৃদ্ধি, সম্মান ও দায়িত্ব গোটা মুসলিম জাতির, বিশেষভাবে উলামা-মাশায়েখ, দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকদের।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সত্য সমভাবে প্রযোজ্য। এখানকার সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন, হানাহানি, সাংস্কৃতিক নৈরাজ্য ও দেউলিয়াপনা এবং বৈদেশিক আধিপত্যের অবসানে গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ইসলামের আলোকে পুনর্গঠিত করতে হবে। দেশের পনের কোটি মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমাজের বিপ্লবাত্মক পরিবর্তন তথা একটি ইসলামী বিপ্লব প্রয়োজন। প্রয়োন খেলাফত ব্যবস্থাকে এখানে পুনরুজ্জীবিত করে দেশকে সত্যিকার অর্থে একটি সার্বজনীন কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এ শুধু পার্থিব প্রয়োজনেই নয় বরং আখেরাতের মুক্তির জন্যো অপরিহার্য।

বাংলার জমীনে আল্লাহ্র খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ দেশের ইসলামী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক নবতর সমন্বয়ধর্মী ও গণভিত্তিক ঐতিহ্য-চেতনা সমৃদ্ধ আপোষহীন নির্ভেজাল ইসলামী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনে ১৯৮৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করেছে।