ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে এ সরকার

ঢাকা, ৪ মার্চ: খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, জুলুম নির্যাতন কওে কেউ বেশী দিন টিকে থাকতে পারে না। মনে রাখতে হবে সবচেয়ে মহাপরিকল্পনাকারী হচ্ছে আল্লাহ। আল্লাহ সবসময় মজলুমের পক্ষে। ইনশাআল্লাহ আবার আন্দোলন হবে। এ সরকারের পতন হবে। ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে এ সরকার। খেলাফত...

জনবিচ্ছিন্ন স্বেচ্ছাচারী সরকার বেশী দিন টিকতে পারবে না

ঢাকা ২০ ফেব্রুয়ারীঃ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, জনগণের আন্দোলনের সামনে কোন স্বেচ্ছাচারীই টিকে থাকতে পারে না সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন। ৫২’র ভাষা আন্দোলন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আজকেও জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারীর প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকার ক্ষমতা দখল...

আবারো প্রমান হয়েছে দেশের জনগণ এ সরকারকে চায় না

ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারীঃ গতকাল অনুষ্ঠিত ঊপজেলা নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে সরকার সমর্থক প্রাথীদের ক্যাডারদের হামলা, ভোট কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট প্রদানের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, সরকার দলীয় লোকদের ভয়-ভীতি বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও ১৯ দলীয়...

আল-কায়দার নামে প্রচারিত কথিত অডিও বার্তা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ

ঢাকা:খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের আজ এক বিবৃতিতে সম্প্রতি আল-কায়দা, আইমান আল-জাওয়াহিরীর নামে ইউুটউবে প্রচারিত কথিত অডিও বার্তার বিষয়কে এদেশের মুসলমান ও ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ইসলাম বিদ্বেষী দেশী-বিদেশী...

দেশে ও জনগণ আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত

ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারীঃ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেছেন দেশে ও দেশের জনগণ আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত। জোর- জবরদস্তি করে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জনবিচ্ছিন্ন সরকার ক্ষমতায় চেপে বসেছে। রাজনীতিতে একদলীয় ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম ইসলাম ও...

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম


মানুষ আল্লাহর খলিফা ও বান্দা । খেলাফত ও উবুদিয়্যাতের দায়িত্ব যথাযথভাবে আঞ্জাম দেয়ার উপরই মানুষের দুনিয়ার সামগ্রিক কল্যাণ এবং আখেরাতের মুক্তি ও শান্তি নির্ভরশীল।

ইসলাম মানুষের জন্য মনোনীত দ্বীন ও সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা। ইবলিসী চক্রান্তে সৃষ্ট শোষণ-নির্যাতন, নৈরাজ্য, অনৈক্য-বিভেদ, অন্যায়-অবিচার-অনাচার, যুদ্ধ-সংঘাতে পরিপূর্ণ বিপর্যস্ত পৃথিবীর হতাশাগ্রস্ত মানুষের একমাত্র মুক্তির পথ ইসলাম। সমাজের সর্বস্তরে ইসলামের পূর্ণ প্রতিষ্ঠাই শান্তি ও অগ্রগতি, সুবিচার ও সাম্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে।

বর্তমানে উলামা মাশায়েখ ও দ্বীনদার শ্রেণীর মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন পরিমন্ডলে ইসলামের বাস্তবরূপ তথা খেলাফত ব্যবস্থা কায়েম নেই দীর্ঘদিন ধরে। অথচ মানবতার বিশেষভাবে মুসলিম বিশ্বের মুক্তি, সমৃদ্ধি, সম্মান ও দায়িত্ব গোটা মুসলিম জাতির, বিশেষভাবে উলামা-মাশায়েখ, দ্বীনদার বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিকদের।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সত্য সমভাবে প্রযোজ্য। এখানকার সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন, হানাহানি, সাংস্কৃতিক নৈরাজ্য ও দেউলিয়াপনা এবং বৈদেশিক আধিপত্যের অবসানে গোটা সমাজ ব্যবস্থাকে ইসলামের আলোকে পুনর্গঠিত করতে হবে। দেশের পনের কোটি মানুষের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে সমাজের বিপ্লবাত্মক পরিবর্তন তথা একটি ইসলামী বিপ্লব প্রয়োজন। প্রয়োন খেলাফত ব্যবস্থাকে এখানে পুনরুজ্জীবিত করে দেশকে সত্যিকার অর্থে একটি সার্বজনীন কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা। এ শুধু পার্থিব প্রয়োজনেই নয় বরং আখেরাতের মুক্তির জন্যো অপরিহার্য।

বাংলার জমীনে আল্লাহ্র খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ দেশের ইসলামী আন্দোলনের ক্ষেত্রে এক নবতর সমন্বয়ধর্মী ও গণভিত্তিক ঐতিহ্য-চেতনা সমৃদ্ধ আপোষহীন নির্ভেজাল ইসলামী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনে ১৯৮৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করেছে।